Headmaster/ Headmistress Training

Headmaster/ Headmistress who newly appointed begin Training in Salt Lake, Innovative initiative the Headmaster/ Headmistress arrange a meeting to help of Whatsapp Group for their demands.

Whatsapp meeting of Headmaster/ Headmistress

দারিভিটের স্কুলে হাঙ্গামা, গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই প্রাক্তন ছাত্রের মৃত্যুর পরে সব সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিদ্যালয়ের Headmaster/ Headmistress-দের Training দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য সরকার। সল্টলেকের প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (ATI) শুরু হয়েছে সেই কর্মসূচি। জেলার স্কুল ইনস্পেক্টরের Headmaster/ Headmistress-দের তালিকা পাঠাচ্ছেন। সেই অনুযায়ী Training চলছে। 

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি জেলা থেকে 2-টি বিদ্যালয়ের 2-জন Headmaster কে বেছে নিয়ে সপ্তাহে 100 জনকে Training দেওয়া হচ্ছে।অন্তত 10-হাজার Headmaster/ Headmistress কে এই প্রশিক্ষণ Training দেওয়া হবে। 

 নতুন কি শেখানো হচ্ছে Headmaster/ Headmistress-দের ? Training এর সাথে যুক্ত এক সরকারি আধিকারিক জানানো, মূলত 3-টি বিষয়ে Training দেওয়া হচ্ছে। পঠন-পাঠনের মান কি ভাবে উন্নত করতে হবে, শিক্ষক ও পড়ুয়ার মধ্যে ভাল সম্পর্ক স্থাপন করে শৃঙ্খলা মেনে চলা এবং সরকারি নিয়মকানুন মেনে স্কুল পরিচালনা করা। ইতিমধ্যে 50 জনের Training শেষ হয়েছে।

লোকসভা নির্বাচনের আগে উত্তর দিনাজপুরে দারিভিটের স্কুলে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে গোলমাল হয়। গুলিতে মারা যায়  দুই প্রাক্তন ছাত্র। সেই ঘটনায় তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি। এই ঘটনার পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, Headmaster/ Headmistress দের Training দেওয়ার হবে।সরকারি নিয়ম মেনে শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে বিদ্যালয় পরিচালন কমিটি এবং Headmaster/ Headmistress দের।

Headmaster/ Headmistress দের এই Training দিচ্ছেন School Education Department এবং ATI-এর  বিশেষজ্ঞরা। এক কর্তা জানান পঠন-পাঠনে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নিয়মিত ক্লাস নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের স্কুলের প্রতি আকৃষ্ট করার চেষ্টা চলছে। সেই সাথে শিক্ষক নিয়োগ থেকে বিদ্যালয় পরিচালনা -সবই সরকারি নিয়ম মেনে করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।  

Whatsapp meeting of Headmaster/ Headmistress 


নেই সাইন বোর্ড , নেই কোনো অফিস। কিন্তু\সেই সংগঠনের প্রথম Meeting হয়ে গেল।  তারা আবার সকলেই রাজ্যের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের Headmaster/ Headmistress।  নিজেদের দাবিদাওয়া নিয়ে অনেক দিন ধরেই তারা মুখর। কিন্তু সংগঠিক হবেন কি ভাবে ? তাই হাতিয়ার করল Whatsapp-কে। এই প্রথম কোনো সংগঠন পথ চলা শুরু করল যার অফিস  Whatsapp, বুধবার ইংরাজি নববর্ষের দিন সেই Whatsapp সংগঠনেরই প্রথম Meeting হয়ে গেল কলকাতায় বিজায়গড়  বিদ্যাপীঠে। ঠিক হল নিজেদের বহু দাবিদাওয়া, অপ্রাপ্তি নিয়ে আগামীকাল শুক্রবার রাজ্যের শিক্ষাবিভাগের মূল দফতর Bikash Bhavan যাবেন তারা। 

কিছুদিন আগে Whatsapp-এ একটা গ্রুপ তৌরী হয়। সেখানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের Headmaster/ Headmistress রা অ্যাড হন। নানা বিষয়ে সেই গ্রুপে আলোচনা হতে থাকে। কয়েকদিনের মধ্যেই দেখা যায় Whatsapp-গ্রুপটির সর্বোচ্চ সদস্য 256 জন হয়ে গিয়েছে।তারপরও বহু Headmaster/ Headmistress Group এ  যোগ দিতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন এডমিনদের।এখন তিনটি আলাদা আলাদা Whatsapp গ্রুপ করা হয়েছে। সেখানে সব মিলিয়ে সদস্য সংখ্যা 600 থেকে 650 জনের কাছাকাছি।এরা প্রতেক্যেই কোনও না কোনও বিদ্যালয়ের Headmaster/ Headmistress। সেই গ্রুপই ঠিক হয় ইংরাজি নববর্ষের দিন Meeting  হবে। সেই মতো এদিন সভ্য হয় বিজায়গড়ে। 

বিভিন্ন জেলা থেকে 100-এর উপর Headmaster/ Headmistress এ দিনের Meeting  যোগ দিয়েছিলেন। ঠিক হয়েছে আপাতত বিভিন্ন মতের Headmaster/ Headmistress দের মঞ্চ হিসেবে কাজ করবে এই গ্রুপ। নাম দেওয়া হয়েছে স্টেট ফোরাম অফ হেডমাস্টার্স এন্ড হেডমিস্ট্রেস। 

এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্যোক্তা চন্দন মাইতির বক্তব্য, Whatsapp-এর মাধ্যমে সংগঠিত হয়ে এতজন Headmaster/ Headmistress যে  এতো কম সময়ের  মধ্যে এই Meeting-য় আসতে পারবেন এমনটা আমরা ভাবিনি। এ দিন দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলা থেকেই প্রতিনিধিরা এসেছিলেন। উত্তরবঙ্গের Headmaster/ Headmistress রা সময়ের অভাবে আসতে পারেন নি। তবে তারাও এই উদ্যোগের পাশে আছেন। বৌঠকে ঠিক হয়েছে সদ্য প্রকাশিত ROPA-2019 তে Headmaster/ Headmistress দের বেতন বৌষম্য নিয়ে কথা বলবে এই মঞ্চ। বিজায়গড় বিদ্যাপীঠের  Headmaster তাপস কুমার দে নিজে বৌঠাকে ছিলেন। তার বক্তব্য, সরকারি নানা প্রকল্পের কাজ Headmaster/ Headmistress রাই করেন। Benglar Shiksha Portal এ সমস্ত তথ্য সময়ের মধ্যে দেওয়ার কাজও আমাদের ওপরেই বর্তেছে। তার উপর Vote, Census তাছাড়াও নানা প্রশাসনিক কাজের মুখে রক্ত তুলে আমাদের কাজ করতে হয়. কিন্তু ROPA তে আমাদের বেতনে কোনও সুযোগসুবিধে দেওয়া হয় নি। 

তাপস বাবু আরও বলেন, আমরা কারও বিরোধিতা বা সমর্থন করছি না। Headmaster/ Headmistress দের স্বার্থ রাখার বিষয়টি দেখছি মাত্র। 

দক্ষিণ 24-পরগনার চটা কালিকাপুর সুবিত আলি উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের Headmaster অঞ্জনা ঘোষাল বলেন ,বহু স্কুলে Clerk নেই। তাই অনেক সময়  Clerk-এর কাজও Headmaster/ Headmistress কে  করতে হয়। কোথাও অনেক ছাত্র, শিক্ষক নেই।  কোথাও আবার ছাত্র নেই, প্রচুর শিক্ষক। স্কুল শিক্ষার এই বিষয়গুলো নিয়েই আমাদের কথা বলতে চাইছি। সমস্যা তৌরি না হলে কি এতজন মানুষ একসাথে সংগঠিত হতেন ,নাকি তিনটে Whatsapp-গ্রুপ খোলা হত ? শিক্ষক ও Headmaster/ Headmistress দের  অনেক দাবিদাওয়াই রয়েছে। কিন্তু Whatsapp-গ্রুপ  আস্ত একটি সংগঠনে পরিণত করার মাধ্যমে অভিনবত্ব রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। যেমন তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ রাহুল পুরকাইতের কথায়, এটাই তো বাস্তব। মতামত প্রকাশের এই বিপ্লবের যুগে এ ভাবেই মানুষ সংগঠিত হবেন। যার শুরুটা হয়েছিল মাধ্যপ্রাচ্য দিয়ে, যেখানে রাষ্ট্রের মেরামতির দাবি তুলে এক দশক  আগে  Facebook এ বিপ্লবীরা পথে নেমেছিল। যাদবপুরের শিক্ষক নেতা অধ্যাপক পার্থপ্রতিম বিশ্বাসের অবশ্য সংযোজন, সংগঠিত হওয়াটাই আসল। তবে  মাথায়  রাখবেন সামাজিক মাধ্যমে যত ঝড় ওঠে , বাস্তবে তার তেমন প্রভাব অনেক সময় পড়ে না। সংগঠন যেন কেবল Whatsapp-গ্রুপ নির্ভর না হয়।