New Rules 2020 / Gazette for Appointment in West Bengal

New Rules 2020, Gazette notification for new appointment to the post of Assistant Teachers in Upper primary, Secondary and Higher Secondary Schools through West Bengal School Service Commission (WBSSC),

Gazette Notification ( গেজট নোটিফিশন ):2020

New Rules 2020 /Gazette for Appointment in West Bengal


New Rules of Gazette ( গেজটের নতুন নিয়মাবলী)

  1.  (i) এই নতুন নিয়মাবলী West Bengal School Service Commission ( জুনিয়র হাই সেকেন্ডারি এবং হাইয়ার সেকেন্ডারি স্কুলে সহকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা পদে নিয়োগ) রুলস, 2019 নামে পরিচিত হবে ৷
       (ii) সরকারি Gazette-এ  বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকেই এই  নতুন নিয়মাবলী কার্যকর হবে ৷

2. (i)  ‘অ্যাক্ট’:  অর্থে West Bengal School Service Commission অ্যাক্ট, 1997 বোঝানো হয়েছে ৷

(ii) ‘নিয়োগকর্তা’ : ডেপুটি সেক্রেটারির পদের নীচে কোনও অফিসারের নিয়োগ অধিকার থাকবে না ৷

(iii) ‘বোর্ড’ অর্থাৎ ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন অ্যাক্ট, 1963-এর অধীনে ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন ৷

(iv) ‘বিভাগ ’: আপার প্রাইমারি থেকে হাইয়ার সেকেন্ডারি লেভেল পর্যন্ত বিষয়/ গ্রুপ, বেতনক্রম, লিঙ্গ, সংরক্ষণ অনুযায়ী ভাগ করা হয়েছে ৷

(v) ‘সংশ্লিষ্ট বিষয়’: এর নিরিখে ফাঁকা পদে প্রার্থী নিয়োগ করা হবে ৷

(vi)  ‘ডিগ্রি' বা ‘ডিপ্লোমা’ বোঝাতে ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা ইন্সটিটিউশন থেকে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন স্বীকৃত পেশাগত যোগ্যতা বলা হয়েছে ৷

(vii) চূড়ান্ত শূন্যপদের তালিকা:  রাজ্য সরকারের অনুমোদনক্রমে সহকারী শিক্ষক পদে শূন্যপদ ঘোষণা করবে বোর্ড ৷

(viii) ‘NCTE’ হল : ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন অ্যাক্ট, 1963 র অধীনে গঠিত সংস্থা ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন ৷

3. যে পাঁচটি ভাগে নিয়োগ পদ্ধতিকে ভাগ করা হয়েছে তা হলো--
                                             স্কুলে উচ্চ প্রাথমিক স্তরে সহকারি শিক্ষক - গ্রুপ-1
                                             নবম ও দশম শ্রেণির জন্য সহকারী শিক্ষক- গ্রুপ-2
                                            একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির জন্য সহকারী শিক্ষক- গ্রুপ-3
                                            শরীরশিক্ষা পদে উচ্চ প্রাথমিক স্তরে সহকারী শিক্ষক - গ্রুপ-4
                                            কর্মশিক্ষা পদে উচ্চ প্রাথমিক স্তরে সহকারী শিক্ষক- গ্রুপ-5

4. শূন্যপদ এবং মেধার ভিত্তিতে প্রার্থীদের নিয়োগ করা হবে ৷

যেমন: কোনও নির্দিষ্ট বিষয়ে 10-টি শূন্য পদের নিরিখে  ক , খ এবং গ  তিনটি বিভাগেই আবেদন করতে পারেন ৷  যথাক্রমে তার প্রথম পছন্দ ক, দ্বিতীয় পছন্দ খ এবং তৃতীয় পছন্দ গ ৷ যদি তিনি প্রথম ক্যাটাগরিতে 11-তম স্থান, দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে সপ্তম এবং তৃতীয় ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে থাকে তাহলে ক ক্যাটাগরিতে তিনি চাকরি পাবেন না ৷ তিনি চাকরি পাবেন খ' ক্যটাগরিতে ৷

5. নিয়োগ পদ্ধতি:
সেকসন-বি অনুযায়ী সেন্ট্রাল কমিশননের মাধ্যমে স্টেট লেবেল টিচার্স সিলেকশন টেস্ট (এসএলটিএসটি)-এর ভিত্তিতে ফাঁকা পদ পূরণ করা হবে ৷

6. রাজ্য সরকার অনুমোদিত নিয়োগ কমিটি বিভিন্ন পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুর করার জন্য ওয়েস্ট বেঙ্গল সেন্ট্রাল স্কুল সার্ভিস কমিশনকে লিখিত ফরমাশ পাঠাতে পারে ৷

7.বিজ্ঞপ্তি ইংরেজি, বাংলা, হিন্দি সহ বিভিন্ন ভাষায় সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হতে পারে ৷

8. স্টেট লেভেল টিচার্স সিলেকশন টেস্ট পরীক্ষার জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ধারণ করবে সেন্ট্রাল কমিশন ৷

9. বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্য ফর্ম জমা করতে হবে ৷

10. কী ভাবে পরীক্ষা পরিচালনা করা হবে তা রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারণ করার ক্ষমতা রয়েছে সেন্ট্রাল কমিটির ৷

কোনও দুইজন প্রার্থী যদি একই নম্বর পান তবে তাদের মধ্য লিখিত পরীক্ষায়  অধিক নম্বর প্রাপ্তকে বেছে নেওয়া হবে ৷ সেক্ষেত্রেও সমান নম্বর থাকলে জন্ম সালের নিরিখে বিচার করা হবে ৷ এক্ষেত্রে সুযোগ পাবেন বয়োঃজেষ্ঠ প্রার্থী ৷

11. প্যানেলটি গঠিত হওয়ায় এক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হবে ৷ বিশেষ কোনও ক্ষেত্রে সন্ট্রাল কমিশন প্যানেলের মেয়াদ বাড়াতে পারে ৷

12. নিয়োগ প্যানেল থেকে প্রার্থীদের নাম বোর্ডের কাছে সুপারিশ করবে সেন্ট্রাল কমিশন ৷ নথিপত্র যাচাই করার পর ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন রুলস , 2018 মোতাবেক প্রার্থীদের নিয়োগ করা হবে ৷

13. মিথ্যা বা জাল নথির ভিত্তিতে যদি কোনও প্রার্থীর সুপারিশ করা হয় এবং তা তদন্তে ধরা পড়লে সেই নিয়োগ বাতিল করা হবে ৷ 

14. প্যানেল প্রকাশিত হওয়ায় তিন বছরের মধ্যে সেন্ট্রাল কমিশনকে পরীক্ষার ও এম আর শিট নষ্ট করে ফেলতে হবে ৷

15. কোনও কারণে ফাঁকা পদ পূরণ না হলে তা নিয়োগ সংক্রান্ত কতৃপক্ষকে অবগত করতে হবে ৷

16. সেন্ট্রাল কমিশনের কোনও সিন্ধান্তে প্রশ্ন উঠলে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকার ৷ সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে ৷

17. পূর্ববর্তী নিয়ম অনুয়ায়ী যে সকল নিয়োগ পদ্ধতি সম্পন্ন হয়েছে, সেক্ষেত্রে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে না ৷

18. নতুন নিয়ম চালু করার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা দেখা গেলে তা সমাধানের জন্য রাজ্য সরকার সেন্ট্রাল কমিশনকে নির্দেশ দিতে পারে অথবা নিজেও কোনও পদক্ষেপ করতে পারে ৷

এবার একঝলকে নতুন নিয়ম

একাধিক নতুন নিয়ম আসতে চলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের  শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগ প্রক্রিয়ায়। এবার থেকে এই নতুন নিয়মেই রাজ্যে শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগ হবে। শিক্ষামন্ত্রী আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে শিক্ষক /শিক্ষিকা নিয়োগের নিয়মে অনেক সরলীকরনের ব্যাপারে। সেই অনুযায়ী একাধিক পরিবর্তন হলো এসএসসির শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগের প্রক্রিয়াতে। এসএসসি-তে  পরিবর্তন হওয়া নতুন বিধিতে বলা হয়েছে--

(i) শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগ করা হবে কেবলমাত্র লিখিত পরীক্ষার ভিত্তিতে, এ ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে না।
(ii) একজন পরীক্ষার্থীকে মোট 300 নম্বরের লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে।
                      প্রথমে 100 নম্বরের টেট বা প্রাইমারি টেষ্ট হবে।
                  এরপর 200 নম্বরের আরও একটা লিখিত পরীক্ষা হবে। এই 200 নম্বরের মধ্যে 100 নম্বর হবে ভাষা বিভাগের লিখিত পরীক্ষা। যার মধ্যে 50 নম্বর থাকবে ইংরেজি  এবং 50 নম্বর হবে পরীক্ষার্থী যে মাধ্যম স্কুলে পড়াবেন তার ওপর। যেমন-বাংলা মাধ্যমের জন্য বাংলা,হিন্দির মাধ্যমের জন্য হিন্দি ইত্যাদি। এরপর বাকি আরও 100 নম্বরের পরীক্ষা হবে পরীক্ষার্থী যে বিষয়ের শিক্ষক হবেন তার ওপরে।

(iii) টেট বা প্রাইমারি টেষ্টে পাশ করলে তবেই বাকি 200 নম্বরের পরীক্ষার খাতা দেখা করা হবে।

(iv) এই দুই লিখিত পরীক্ষার ভিত্তিতে মেধা তালিকা তৈরি হবে।

(v) এর ফলে নিয়োগেরর সময় খুব কম লাগবে ও গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া 6 থেকে 7 মাসের মধ্যেই শেষ করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

(vi) কী ধরনের শিক্ষক/ শিক্ষিকা তার ওপর ভিত্তি করে মোট পাঁচটি গ্রুপ করা হয়েছে। একজন পরীক্ষার্থীর যোগ্যতা থাকলে  তিনি সব (পাঁচটি) গ্রুপের জন্যই আবেদন করতে  পারবেন।


যে গুলো পরিবর্তিত হলো 

একটি মাত্র আবেদন: 

এবার আর আলাদা আলাদা আবেদন নয়। একটি মাত্র আবেদন করতে হবে। উচ্চ প্রাথমিক, নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ এর জন্য একটি মাত্রর পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার্থীরা নিজের সুবিধা একটি মাত্র আবেদন করবেন। এতদিন তিনটি ক্ষেত্রেই আলাদাই পরীক্ষা নেওয়া হত।

মাতৃভাষা ও ইংরেজি যাচাই: 

প্রথমবারের মত এবার লিখিত পরীক্ষায় মাতৃভাষা ও ইংরেজি যাচাই করা হবে। টেট উত্তীর্ণ করার পর আবেদন করতে হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। পরীক্ষার্থীদের 50 নম্বর মাতৃভাষা ও 50 নম্বর  ইংরেজির পরীক্ষা দিতে হবে।

  100-নম্বরের বিষয় ভিত্তিক পরীক্ষা: 

মাতৃভাষা ও ইংরেজি পরীক্ষা ছাড়াও নির্দিষ্ট বিষয়ের পরীক্ষাও দিতে হবে। বিষয়ভিত্তিক মোট 100 নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। বিষয়ের পরীক্ষা গুলি নেওয়া হবে ওএমআর শীটে।

এখন ইন্টারভিউ থাকছে না : এখন থেকে কোন ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া থাকছে না। তাই লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই সরাসরি চাকরি পাওয়ার সুযোগ থাকছে এবার থেকে।

থাকছে না কাউন্সিলিং প্রক্রিয়া:

বড়োসড়ো পরিবর্তন আসছে টিচার-পোস্টিং এর ক্ষেত্রেও। এখন থেকে থাকবে না উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের জন্য কোন কাউন্সিলিং প্রক্রিয়া।

নিজেদের জেলাতেই পোস্টিং:

পাবলিক সার্ভিস কমিশন (PSC) এর ধাঁচেই চাকরির পোস্টিং দেওয়া হবে। তার জন্য নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করছে স্কুল এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট। নিজ নিজ জেলায় টিচার-পোস্টিং দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করছে স্কুল শিক্ষা দপ্তর।